বিস্তারিত নিউজ:
ইসরাইল ও হামাসের মধ্যে চলমান সংঘর্ষে সাম্প্রতিক ঘটনাবলী বিশ্বকে আতঙ্কিত অবস্থায় রাখছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এক নতুন ২০-পয়েন্ট শান্তি প্রস্তাব তুলে ধরেছেন, যা ইসরাইল-বন্দি মুক্তি ও অংশিক সেনা প্রত্যাহারসহ বিভিন্ন ধাপ অন্তর্ভুক্ত। হামাসের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে যে তারা সমস্ত ইসরাইলি বন্দি মুক্তির প্রস্তাবে সম্মতি দেবে। Reuters
ইসরাইল এই প্রস্তাব গ্রহন করতে এগিয়ে এসেছেন এবং ঘোষণা দিয়েছেন যে তারা গাজার কিছু অংশ থেকে ধাপে ধাপে সেনা প্রত্যাহার করবে। The Washington Post+2The Guardian+2 তবে কিছু ইসরাইলি আধিকারিক প্রস্তাবটিকে “অসাধারণ লোচনীয়” বলে বর্ণনা করেছেন। TIME+1
শান্তি প্রস্তাবটি দ্রুত কার্যকর করার ক্ষেত্রে সময়সীমা হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে রবিবার সন্ধ্যা, যা সফল না হলে ইসরাইল মারাত্মক প্রতিক্রিয়া জানাবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ট্রাম্প। The Washington Post+2TIME+2 হামাস এই সময়সীমার মধ্যেই সিদ্ধান্ত নিতে চায়, তবে তারা বলেছে যে প্রস্তাবের কিছু শর্ত স্পষ্টতা পেতে হবে। The Australian+1
এই মুহূর্তে গাজা অঞ্চলে বিমান হামলা, নীচু প্রবল সংঘর্ষ ও মানবতাবিষয়ক সংকট ঘিরে অবস্থা ক্রমেই উত্তেজনাপূর্ণ হচ্ছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, বন্দি মুক্তি ও শান্তি আলোচনা উভয়ই অত্যন্ত স্পর্শকাতর বিষয়। বিশ্ব সম্প্রদায় এই ঘটনাগুলির দিকে সর্তক নজর রাখছে — ভবিষ্যতের শান্তির ক্ষেত্রে এটি একটি সংবেদনশীল মোড় হতে পারে।
জার্মানি, ইতালি ও অস্ট্রেলিয়া সবাই সাম্প্রতিক গাজা শান্তিচেষ্টা (ট্রাম্পের প্রস্তাব/হামাসের প্রতিক্রিয়া) সম্পর্কে অবস্থান জানিয়েছে। সংক্ষিপ্ত ও স্পষ্টভাবে প্রতিটি দেশের বক্তব্য নিচে দিলাম (তারিখ: ৩–৪ অক্টোবর ২০২৫-এ প্রকাশিত প্রতিক্রিয়ার সারাংশ):
জার্মানি: চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মেরজ এই শান্তি প্রস্তাবকে “শান্তির জন্য সেরা সুযোগ” হিসেবে প্রকাশ্যে স্বাগত জানিয়েছেন এবং হামাসকে প্রধানত প্রস্তাবটি গ্রহণ করে শান্তির পথ সুগম করতে আহ্বান জানিয়েছেন। জার্মান নেতৃত্ব আশা প্রকাশ করেছেন যে সব পক্ষ সুযোগটি গ্রহণ করলে দীর্ঘস্থায়ী সহিংসতা বন্ধের একটা বাস্তব সুযোগ তৈরি হতে পারে। Reuters Connect
ইতালি: ইতালীয় সরকার (Palazzo Chigi) প্রস্তাবটির প্রতি ইতিবাচক রায় দেয়ার আহ্বান করেছে — তৎপরতা নেওয়ার মাধ্যমে সংঘাত শেষের সুযোগ হাতছাড়া করা উচিত নয়, এমন কথাই তাদের বার্তা। একই সময় ইতিতে দেশজুড়ে গাজার পক্ষে বিক্ষোভ ও বিক্ষোভের আলাপও চলছে, তবে সরকার মূলত শান্তি প্রক্রিয়াকে সমর্থন করছে। governo.it+1
অস্ট্রেলিয়া: অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবনিসে (Anthony Albanese) যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবকে স্বাগত জানিয়েছেন এবং শান্তি আনার প্রচেষ্টা সমর্থন করেছেন—অস্ট্রেলিয়া আশা করে যে প্রস্তাব বাস্তবায়িত হলে শিক্ষক ও অসামরিক মানুষের উপর সহিংসতা কমবে। বাইশ হোয়াইট হাউসের বিবরণগুলোতে অস্ট্রেলিয়ার সমর্থনের প্রতিফলন দেখা গেছে। The White House
সংক্ষেপে: জার্মানি, ইতালি ও অস্ট্রেলিয়া — প্রত্যেকে এই সময়ে শান্তি প্রস্তাবকে সমর্থনের সুরে কথা বলেছে এবং হামাসকে প্রস্তাব গ্রহণে উৎসাহিত করেছে; একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা ও বিভিন্ন দেশগত জনমত প্রস্তাবটির শর্তাদি, বন্দি মুক্তি ও বাস্তবায়ন কৌশল সম্পর্কে সর্তক রেখে দেখছে। Reuters Connect+2governo.it+2

0 মন্তব্যসমূহ